ছাত্র রাজনীতিলীড

ওখানে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউ নেই: নূর

১৫ অক্টোবর ২০২০।। ১৯.১৫

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার

কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্বদানকারী সংগঠন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে বিভিন্ন সময়ে বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িত হওয়ার অভিযোগে বহিষ্কৃতরা নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে।

নুর-রাশেদকে অবাঞ্চিত ঘোষণা করে গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে একটি বিদ্রোহী কমিটি ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: ছাত্র অধিকার পরিষদের বহিষ্কৃতদের নতুন কমিটি

এ কমিটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন গত মে মাসেই সংগঠনপরিপন্থী কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে বহিষ্কৃত জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বয়ক এপিএম সুহেল।

এদিকে এপিএম সোহেলসহ সংবাদ সম্মেলন করা অধিকাংশ ব্যক্তিই ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউনা বলে মন্তব্য করেছেন সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুর।

তিনি বলেন, ঐখানে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউ নাই। এপিএম সোহেল আমাদের ছাত্র অধিকার পরিষদের ছিল এক সময়। তাকে মে মাসে বহিষ্কার করা হয়েছে।

আর ঐখানে যারা আছে তারা, মিয়াজি ৩৫ আন্দোলনের নেতা, জালাল ছাত্রদলের নেতা, ইসমাইল সম্রাট ঐক্যবন্ধ ছাত্র সমাজের সাধারণ সম্পাদক। এখানে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউ নাই।

আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে কোনঠাসা করার জন্য, আমরা যেহেতু বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলনের ডাক দিয়েছি, মানুষকে সংগঠিত করার জন্য কাজ করে যাচ্ছি সরকার আমাদের এই রাজনৈতিক অবস্থানটাকে নষ্ট করার জন্য, আমাদের প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য, টাকা পয়সা খরচ করে তাদের কিছু অনুসারী দিয়ে এগুলো করাচ্ছে। এখানে ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউ নাই।

নুরুল হক নূর বলন, ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ কোটা সংস্কার আন্দোলনের মাধ্যমে গড়ে উঠেছিলো এবং তাতে ছাত্রলীগ, ছাত্রদল সহ বিভিন্ন সংগঠন থেকেও অনেকে এসেছিলেন।

সম্প্রতি আমরা যখন রাজনৈতিক দল গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছি তখন ছাত্র অধিকার পরিষদ, যুব অধিকার পরিষদের মতো সংগঠন করেছি।

আর ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নামে যারা নতুন কমিটি ঘোষণা করেছে তারা বেশিরভাগই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় তাদের সম্পৃক্ত করেছিলাম । এখন সরকার তাদেরকে ব্যবহার করছে আমাদের হেয় করার জন্য।

সরকারি পৃষ্ঠপোষকতাতেই কখনো মামলা হচ্ছে বা কখনো আমাদের অবাঞ্ছিত করছে।

নূর জানান তারা শিগগিরই নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশ গণঅধিকার পরিষদ গঠন করবেন এবং এটা

জেনেই সরকার তাদের নানা ভাবে দমানোর চেষ্টা করছে।

কারণ বাংলাদেশে এখন অগণতান্ত্রিক শাসন চলছে ও রাজনৈতিক দলগুলো কথা বলতে পারছেনা।

সেখানে বাধা অতিক্রম করে আমরা একের পর এক সফল ছাত্র আন্দোলন করেছি।

সরকার এসব কারনেই এখন কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন এমন কয়েকজনকে ব্যবহার করছে। তারাই আজ সংবাদ সম্মেলন করেছে আমাদের বিরুদ্ধে।

সাধারণ ছাত্র অধিকার পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রাশেদ খান বলেন, আমাদের সংগঠন ছাত্র অধিকার পরিষদের মধ্যে কোনও ভাঙন হয়নি।

যাদের হাত ধরে এ সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তারা সবাই এক রয়েছে।

যার নেতৃত্বে ছাত্র অধিকার পরিষদের মূল নেতাদের অবাঞ্চিত ঘোষণা করে আগের নামে ‘বাংলাদেশ

সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ’র ঘোষণা হয়েছে, তাকে আগেই ছাত্র অধিকার পরিষদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

তাদের নিয়ে আমরা ভাবছি না। সে তো আমাদের সংগঠনে নেই।

তিনি বলেন, সেখানে যারা ছিলেন, তারা ছাত্র অধিকার পরিষদের কেউই না।

সুতরাং তারা নানা ধরণের গুজব ছড়িয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইবেন, এটাই স্বাভাবিক।

আমাদের মূল চার নেতার মধ্যে যদি একজনও আলাদা অংশে থাকতেন, তাহলে সেটিকে ভাঙন বলা যেতো।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

two × 3 =

Back to top button
Translate »
Close
Close