মতামত

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও আমাদের রাজনীতি

১৭ অক্টোবর ২০২০।। ১৫.৪১

ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ ও আমাদের রাজনীতি
হারুন-অর-রশিদ

 সেকুলারিজম বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বর্তমান বিশ্বের রাজনৈতিক অঙ্গনে বহুল প্রচলিত এবং বিতর্কিত একটি  মতবাদ।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনেও  এই মতবাদ নিয়ে কম আলোচনা হচ্ছে না কোন কোন ক্ষেত্রে অন্য দেশের তুলনায় একটু বেশি মাত্রায়  আলোচনা হয়ে থাকে।

এই মতবাদের মূল কথা হলো পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র ইত্যাদি প্রতিষ্ঠানগুলো হবে ধর্মের বিধিবিধান মুক্ত।

আরও পড়ুন: রাজনীতি আর রাজপথে নেই

ধর্মের ব্যবহার শুধু ব্যক্তিগত জীবনে ব্যবহৃত হবে। প্রকৃত অর্থে ধর্ম নিরপেক্ষতাবাদ  ইহলোকিক, ইহজাগতিক বা পার্থিব বিষয় নিয়ে চিন্তা করে তারা মূলত পরকাল বিমূখতা।

ইংরেজি Secular শব্দের অর্থ পার্থিব; ইহজাগতিক; জড়জাগতিক বা লোকায়ত সেই অর্থে Secularism এর অর্থ হচ্ছে ইহজাগতিকতা বা ইহবাদ এর মূল বাণী হচ্ছে নৈতিকতা ও শিক্ষা ধর্মকেন্দ্রিক হওয়া উচিত নয় এই মতবাদ।

আমাদের পন্ডিতগণ অত্যন্ত সুকৌশলে Secularism এর অর্থ  ইহজাগতিকতা বা ইহবাদ এর পরিবর্তে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ বানিয়ে সমাজের সাধারণ মানুষের চোখে ধূলা দেবার হীন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

কিন্তু অর্থের দিক দিয়ে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ আর ইহজাগতিকতা বা ইহবাদের অর্থ এক নয়। যারা রাষ্ট্রকে ধর্মনিরপেক্ষতা বানিয়ে ফেলতে চায় তাদের অধিকাংশই ধর্মহীনতায় বিশ্বাসী।

যেহেতু তারা ধর্ম মানিনা এই কথা সরাসরি বলতে লজ্জা পায় তাই তারা কৌশল হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি বেছে নিয়েছে।

কারণ এই শব্দের মধ্যে একটা আর্ট আছে, আছে লুকোচুরি খেলার মত একটা ক্ষেত্রও।  

Secularism শব্দটির উৎপত্তি হয়েছে মূলত রাজা এবং চার্চের ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে। চার্চের ধর্মযাজকরা রাষ্ট্রের জনগণ এমনকি রাজাকেও তাদের হুকুম মেনে চলতে বাধ্য করত।

রাজাকে এবং জনগণকে বশে রাখার জন্য ধর্মযাজকগণ ঐশী বাণীর নামে নিজেদের মনগড়া মতবাদ রাজা এবং জনগণের উপর চাপিয়ে দিতো। এতে করে রাজারা ধর্মযাজকদের অনেক আদেশই মানত না বরং বিদ্রোহ করে বসত।

ধর্মযাজকগণ রাষ্ট্র পরিচালনায় ঐশী ক্ষমতা দাবী করায় এবং রাজাগণ, বিশেষতঃ রোম সম্র্রাট কনস্টানটিনের খ্রীস্ট ধর্ম গ্রহণের পরে ধর্মীয় ক্ষমতা পরিচালনার দাবী করায় যে বিরোধ সৃষ্টি হয় শেষ পর্যন্ত ৩১২ খ্রীস্টাব্দে মিলান ঘোষণার মধ্য দিয়ে তার একটি আপসরফা হয়।

এই ঘোষণায় স্থির হয়-“সিজারের পাওনা সিজারকে দাও, গডের পাওনা গডকে।” এই হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের শুরুর কথা।

১৫শতাব্দীতে খ্রীস্টান ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের অমিল প্রকটভাবে ধরা পড়ে। এই সময়ে ইউরোপে জ্ঞান বিজ্ঞানের জাগরণ ঘটলে জ্ঞান বিজ্ঞানের গবেষণালদ্ধ আবিস্কার-উদ্ভাবনের সাথে যাজকদের মনগড়া কথার কোন মিল না পাওয়ায় বেঁধে যায় ধর্ম আর বিজ্ঞানে তথা গীর্জা আর রাষ্ট্রের বিরোধ।

রাজা এবং গীর্জায় যুদ্ধ করেই গীর্জাকে হারিয়ে দিয়ে রাজার সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। তখনই সন্ধি হয় যে, পোপ রাজ কার্যে হস্তক্ষেপ করবে না এবং রাজাও ধর্মে কর্মে নাক গলাবে না।

১৯ শতকের মাঝামাঝিতে এসে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদ একটি স্বতন্ত্র ও বিশেষ মতবাদ হিসেবে আবির্ভূত হয়।

এ সময় ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের মূল প্রবক্তা ছিলেন জ্যাকব হলিয়ক (১৮১৭-১৯০৪)। তিনি প্রথমত ধর্মের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন, পাদ্রিদের কর্মকান্ডে চার্চের প্রতি বিমুখ হয়ে যান এবং শেষ পর্যন্ত ১৮৪১ সালে সম্পূর্ণভাবে চার্চ ত্যাগ করেন।

বাকী জীবন তিনি ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের প্রচার ও প্রতিষ্ঠার জন্য সংগ্রাম করে যান। এখানে মূল বিষয় হচ্ছে চার্চের যাজকদের অত্যাচারের বিরোধিতা করতে গিয়ে ধর্মের বিরোধীতা থেকে যে ভ্রান্ত  মতবাদ ধর্মনিরপেক্ষতাবাদের জন্ম হয়েছে তা কখনো সমাজ এবং রাষ্ট্রে শান্তি  বয়ে আনতে পারে না।

খ্রীস্টান জগতের এই বিতর্কিত মতবাদ আমাদের সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমান রাষ্ট্রের উপর চাপিয়ে দেওয়ার জন্য ইসলাম বিদ্বেষী বিদেশী প্রভুরা টাকা দিয়ে আমাদের দেশের মুসলমান নামধারী কতিপয় নাস্তিক প্রকৃতির এজেন্ট নিয়োগ করে এদেশের মুসলমানদেরকে ইসলাম বিমুখী করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল স্পিরিট ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল না বরং স্পিরিট ছিল একটি নির্ভেজাল গণতান্ত্রিক এবং সাম্যভিত্তিক রাষ্ট্রগঠন।

পরিতাপের বিষয় স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পরই সদ্য জন্ম নেওয়া গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করা হলেও 

আমাদের তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা কোন উচ্চবাচ্য না করে সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা শব্দটি যুক্ত করায় খুশিতে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে।

এমনকি দশম ও একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্রকে সপ্তাকাশে পাঠিয়ে দিলেও তাদের চেতনায় প্রতিবাদের কোন চিহ্ন লক্ষ্য করা যায় না।

বরং সব কিছুতেই ধর্মনিরপেক্ষতাকে টেনে এনে সমাজ ও রাষ্ট্রে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অপতৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রগতিশীল নামের কিছু রাজনৈতিক নেতারা ‘ধর্মনিরপেক্ষতা  মানে ধর্মহীনতা নয়’ বলে সাধারণ মানুষকে বোকা বানাতে চায়।

প্রকৃত পক্ষে রাজনৈতিক স্বার্থ এবং বিদেশী প্রভুদের খুশি করার জন্য তাদের এই প্রচেষ্টা।

আমাদের পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র ভারত ধর্মনিরপেক্ষতার দাবীদার হলেও শাসনতন্ত্রে ধর্মনিরপেক্ষতার কোন বিধান নেই।

ভারতীয় সংবিধানের ২৫ ধারায় সকল মানুষের ধর্ম পালন ও প্রচারের  স্বাধীনতার কথা বলা থাকলেও

তাদের মূল চিন্তা ভারত হবে একটি হিন্দু রাষ্ট্র এবং হিন্দু ধর্মের প্রচার ও প্রসারের জন্য রাষ্ট্রীয় টাকা ব্যয় করা হয়।

ভারতীয় মুসলমানদের উপর কি নির্মম অত্যাচার করা হয় তা কারো অজানা নয়।

সেখানে শত শত মসজিদ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, আইন করে গরু জবেহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

মুসলমানসহ সকলের নামের আগে ‘শ্রী’ বসানো এবং অভিবাদন হিসেবে হাত জোড় করে ‘নমস্তে’ বলা সরকারীভাবে চালু করা হয়েছে।

বিজেপি প্রধান অমিত শাহ এবং অনেক বিজেপি নেতা বাঙালী মুসলমানদের সেই দেশ থেকে বের করে দেওয়ার কঠিন হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন।

মুসলমানদের উপর এত নিষ্ঠুর এবং নির্মম আচরণ করলেও এর প্রতিবাদস্বরূপ আমাদের দেশের ধর্মনিরপেক্ষবাদীদের মুখে কোন আওয়াজ শুনা যায় না।

উল্টো মুসলমানদের উপর অত্যাচার হয়েছে শুনলে আনন্দে শুরাপানের পরিমাণ বাড়িয়ে দেন।

মজার ব্যাপার হচ্ছে সবচেয়ে প্রাচীন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র বৃটেনের রাষ্ট্র ধর্ম হচ্ছে প্রোটেস্ট্যান্ট এঙ্গলিক্যান খৃস্টধর্ম ।

রাজা এই ধর্মেরও প্রধান এবং রাষ্ট্রেরও প্রধান। সে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মীয় প্রার্থনা দিয়ে পাঠ শুরু হয় এবং আদালতে ধর্মীয় মতে শপথ পাঠ করানো হয়।

বৃটেনের প্রধানমন্ত্রীকেও ধর্মীয় গ্রন্থ স্পর্শ করে শপথ গ্রহণ করতে হয়। বৃটেন, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন,

গ্রীস, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, সুইজারল্যান্ড, ডোমিনিক্যান ও অস্ট্রেলিয়ার পতাকাতে যে ক্রস চিহ্ন আছে তা খৃস্টান ধর্মেই প্রতীক।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খ্রীস্ট ধর্মই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আইনগতভাবে স্বীকৃত ধর্ম এবং এই ধর্মের নীতিই সেখানে সর্বক্ষেত্রে প্রতিফলিত হয়ে থাকে।

এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের গায়ে স্পষ্টতই ‘ইনগড উইথ ট্রাস্ট’ লিখে তাদের জীবনে ধর্মীয়

গুরুত্ব ও মর্যাদা সংরক্ষণ করে স্বধর্মের প্রাধান্য বজায় রেখেছে।

ঐ সমস্ত রাষ্ট্র নিজেদেরকে Secular রাষ্ট্র বললেও তারা কথায় কথায় সব কিছুতে ধর্মনিরপেক্ষতা নিয়ে কথা বলে না।

বরং তারা জানে তাদের রাষ্ট্রে সব ধর্মের লোক স্বাধীনভাবে স্ব স্ব ধর্ম পালন করতে পারবে।

এর পরেও ইউরোপ এবং আমেরিকায় ইসলাম ধর্মের লোকদের উপর অত্যাচার নির্যাতন কম হয় না।

চায়নাতে উইঘর মুসলিমদের উপর ভয়াবহ নির্যাতন চলছে। মায়ানমারের রহিঙ্গা মুসলমানদের ইতিহাসের নজীরবিহীন অত্যাচার করে তাদেরকে দেশত্যাগে বাধ্য করেছে।

এই সমস্ত ব্যাপারে আমাদের দেশের ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীদের কোন কথা বলতে শুনা যায় না। যত সব সমস্যা বাংলাদেশের মুসলমানদের।

ধর্মপ্রাণ মানুষের এই দেশে রাষ্ট্র ধর্মের ব্যাপারে নিরপেক্ষ থাকতে পারে না। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীস্টান

তথা প্রতিটি ধর্মের মানুষ তাদের নিজস্ব বিশ্বাস ও বৈশিষ্ট বজায় রেখে ধর্ম পালন এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা ও

অধিকার ভোগ করে আসছিল।

কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে ধর্মনিরপেক্ষতাকে টেনে এনে মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা চালিয়ে আসছে।

সাম্প্রতিক কালে ধর্মনিরপেক্ষতার দোহাই দিয়ে এক শ্রেণির মুসলিম নামধারী মুসলমানের অনেক ফরজ কাজের উপরও রাষ্ট্রীয় নিষেধাক্ষা দাবী করছে।

সংখ্যাগরিষ্ট মুসলমানের দেশে যা ভাবতেও অবাক লাগে।

আমাদের দেশের তথাকথিত ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী মতবাদে বিশ্বাসী বুদ্ধিজীবীগণ মনে করেন, রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠানকেই ধর্মনিরপেক্ষ হতে হবে।

ধর্মনিরপেক্ষ না হলে রাষ্ট্রীয়, সামাজিক-সাংস্কৃতিক এমনকি আইন শৃঙ্খলাগত সমস্যা সংকটমুক্ত হওয়া যাবে না।

তথাকথিত  এই ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী  বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার প্রশ্ন ‘১৯৭২ সালের  সংবিধানে রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতিতে  ধর্মনিরপেক্ষতা ছিল এবং বর্তমান সংবিধানেও তা আবার সংযোজিত হয়েছে।

কিন্তু এই দুই সময়ে কি বাংলাদেশের গণতন্ত্র ভুলন্ঠিত হয়নি? এই দুই সময়ে কি মানুষের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ করা হয়নি?

বর্তমানে সংখ্যা লঘুরা কি বেশি মাত্রায় নির্যাতিত হচ্ছে না ? প্রতি দিনই সংখ্যা লঘুদের উপর নির্যাতনের খবর আমরা পেয়ে থাকি।

তাই আমি মনে করি,রাষ্ট্রকে সামনে নিয়ে যাওয়ার জন্য ধর্ম বাধা নয়; আমাদের মস্তিষ্ক জনিত সমস্যা। বরং ধর্মীয় অনুশাসন পালনের মাধ্যমেই রাষ্ট্রে চিরস্থায়ী শান্তি আনা সম্ভব।

রাষ্ট্রের প্রতিটি সেক্টর দূর্নীতিতে নিমজ্জিত। প্রতিটি মুহুর্তে মানুষকে লাঞ্চিত-বঞ্চিত হতে হচ্ছে। নারীরা শুধু ধর্ষিতই হচ্ছে না; গণধর্ষিত হচ্ছে।

ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা এর কোন সমাধান খুঁজে পাচ্ছেন না আবার এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদও করছেন না। মনে হয় এতে তারা উল্লসিত হন।

ধর্মনিরপেক্ষতার অন্তরালে তাদের এই উল্লসিত মানসিকতার পরিবর্তন না হলে সমাজে চিরস্থায়ী অশান্তি বিরাজ করবে।

কাজেই সমাজ এবং রাষ্ট্রকে সঠিক ধারায় ফিরিয়ে আনার জন্য ধর্মকে দায়ী না করে বিবেকের চেতনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে। ধর্মই আপনাকে শান্তির সঠিক ঠিকানা দিতে পারে।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) ধর্মীয় অনুশাসনের মাধ্যমেই একটি বর্বর জাতিকে পুরোপুরি সভ্য করে তুলেছিলেন।

খোলাফায়ে রাশেদীন এর আমলেও তাই হয়েছে। মানুষ যখন ধর্মীয় অনুশাসনের গন্ডি থেকে বেরিয়ে গিয়ে

নিজস্ব মতবাদে চলতে শুরু করল এবং নিজেদেরকে ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী বলে দাবী করল তখন থেকেই মূলত রাষ্ট্রীয় বিশৃঙ্খলা শুরু হলো।

সুতারাং সমাজ এবং রাষ্ট্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত করতে হলে ধর্মনিরপেক্ষতার রাজনীতি পরিহার করতে হবে।       

harun_980@yahoo.com

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

Tags

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

three + six =

Back to top button
Translate »
Close
Close