আরো সংবাদবিএনপি

অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদের ১ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ

১৭ জুলাই ২০২১।। ১২.০৪

নিজস্ব প্রতিবেদক

উপমহাদেশের পন্ডিত ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ এর আজ প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী। এ উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, দেশের কীর্তিমান অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. এমাজউদ্দীন আহমদ বাংলাদেশের উজ্জল নক্ষত্র।

রাষ্ট্র, রাজনীতি, গণতন্ত্র, সমাজনীতি, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি বিষয়ে পন্ডিত ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন দেশ ও জাতির গর্বের ধন।

এ সকল বিষয়ে তাঁর দিকনির্দেশনা ও জ্ঞানগর্ভ বিশ্লেষণ জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সমাদৃত হয়েছে।

তিনি সবসময় জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্রের সমর্থক ছিলেন। বাংলাদেশে জাতীয়তাবাদী রাজনীতি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন।

আরো পড়ুন: ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদের মৃত্যুতে ইউট্যাবের শোক

বিএনপি মহাসচিব বলেন, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে তিনি ছিলেন একজন উঁচু মানের গবেষক, তাঁর গবেষণা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের পরিধি বিস্তৃত করেছিলো এবং সেজন্য তিনি দেশে-বিদেশেও সমাদৃত ছিলেন।

কীর্তিমান ও পন্ডিত রাষ্ট্রবিজ্ঞানী হিসেবে তিনি দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করেছিলেন। গণতন্ত্র এবং বাকস্বাধীনতার প্রশ্নে তাঁর সুচিন্তিত ও বিশ্লেষণধর্মী লেখা মানুষকে চিরদিন অনুপ্রাণিত করবে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য তাঁকে রাষ্ট্রশক্তির জুলুমও সহ্য করতে হয়েছে। রাষ্ট্র্র-সমাজে গণতন্ত্রের বিকাশের অপরিহার্যতা ছিল ড. এমাজউদ্দীন আহমদের চিন্তা, গবেষণা ও মননের অনুষঙ্গ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতাকালে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রীকে সুশিক্ষিত হিসেবে গড়ে তুলেছিলেন যারা আজ জাতীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠিত।

একজন বিদ্বান শিক্ষক হিসেবে তিনি জ্ঞানের যে আলো বিস্তার করেছিলেন সেটি তাঁর ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে অমলিন হয়ে থাকবে।

রাষ্ট্রবিজ্ঞান চর্চায় দেশের প্রখ্যাত রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মধ্যে তিনি ছিলেন অগ্রগণ্য। তাঁর মৃত্যুতে দেশ একজন চিন্তাশীল বিদ্ব্যৎজনকে হারিয়েছে।

ড. এমাজউদ্দীন আহমদ এর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর সম্মান প্রদর্শণ ও বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন মির্জা ফখরুল।

উল্লেখ্য যে, ২০২০ সালের ১৭ জুলাই মারা যান অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ। বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ বলেন, ওইদিন রাত আড়াইটার দিকে স্যার অসুস্থ হয়ে পড়েন।

দ্রুত তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। ভোর পৌনে ৬টায় আইসিইউতে মারা যান।

এদিকে অধ্যাপক এমাজউদ্দীনকে নিয়ে নিজের ফেসবুকে আবু নাসের রহমাতুল্লাহ লিখেছেন- আমাদের শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক ও পিতৃতূল্য অভিভাবক অধ্যাপক ড. এমাজউদ্দীন আহমদকে হারানোর এক বছর।

জীবদ্দশায় স্যারকে যেমন মূল্যায়ন করতে আমরা ব্যার্থ হয়েছি; তেমনি মৃত্যুর পর থেকে এ পর্যন্ত কোভিড-১৯ এর কারণে তাঁকে শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে পারিনি।

প্রথম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে একটি বড় আয়োজনের প্রস্তুতি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতির কারণে তা সম্ভব হয়ে উঠেনি।

হে আল্লাহ আপনার এই প্রিয় বান্দাকে ক্ষমা করে দিয়ে স্থায়ী ভাবে জান্নাতের মেহমান হিসেবে কবুল করে নিয়েন।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

পিএনবি/এসআই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

sixteen − four =

Back to top button
Translate »