শনিবার, ডিসেম্বর ৪, ২০২১

বিএনপি মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবে না: মির্জা আব্বাস

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস হিন্দুদের মন্দিরে হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে বলেছেন, আওয়ামী লীগের তেলবাজ নেতারা বলছে- আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নাকি লন্ডনে বসে এইসব হামলা পরিকল্পনা করছে!

তিনি যদি লন্ডন থেকে এসব পরিচালনা করতে পারেন তাহলে দেশে আসলে আপনাদের অবস্থা কি হবে? সুতরাং নেতাদের নিয়ে কথা বলার সময় বুঝে শুনে সাবধানে কথা বলবেন।

আমরাও কিন্তু মুখে কুলুপ এঁটে বসে থাকবো না।

তিনি বলেন, নিত্যপণ্যের দাম একবার বাড়বে একবার কমবে, এটাই নিয়ম। কিন্তু বাংলাদেশে যখন বাড়ে তখন আর কমেনা। লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ে।

আরো পড়ুন: করোনা নিয়ে রাজনীতি হচ্ছে : মির্জা আব্বাস

কারণ, সিন্ডিকেট করে তারা (আওয়ামী লীগ) টাকা নিয়ে বিদেশে পাচার করে। এমনকি জীবন রক্ষাকারী ঔষধ তথা করোনার টিকা নিয়েও তারা টাকা আত্মসাৎ করেছে।

গতকাল শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এক মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

যুবদল সভাপতি সাইফুল আলম নীরবের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির আমান উল্লাহ আমান, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, যুবদলের এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন, মামুন হাসান প্রমুখ।

মির্জা আব্বাস সরকারের সমালোচনা করে বলেন, অত্যাচার অনাচার করে ক্ষমতায় বেশিদিন টেকা যাবে না। সুতরাং আপনিও ক্ষমতায় থাকতে পারবেন না।

যত পেটান, যত মারেন, আমাদের কর্মীদের ক্ষমতা বাড়বে। পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনারা সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারী, আওয়ামী লীগের না।

ভেবে দেখুন আপনার সন্তানের গায়ে কেউ হাত তুললে কেমন লাগবে? আমাদের টাকায় গুলি কিনছেন, আমাদের মারছেন!

কিন্তু একটা সময় আসবে এই সরকারের পতন ঘটবে। সময় আসবে তখন এই সরকারের একজনও মাঠে নামার সাহস পাবে না।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। তিনি সুচিকিৎসা পাচ্ছেন না। বিদেশে যাওয়ার ভিসা পাচ্ছেন না।

অথচ কয়েকদিন আগে আমাদের দেশের একজন বিশেষ লোক ট্রিটমেন্ট করে আসলেন।

দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী, তার ভিসা হয় না। তার অপরাধ, তিনি এ দেশে গণতন্ত্র দিয়েছিলেন, এই দেশের গণ মানুষের স্বাধীনতা দিয়েছিলেন।

তার সময় দেশবাসী শান্তিতে ছিল। তার আমলে তিনবার রোজা ও পূজা একসঙ্গে হয়েছে কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হয়নি।

তিনি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখেছিলেন। অথচ এই সরকার সাম্প্রদায়িক হামলার মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক হিসেবে পরিচয় করাচ্ছে।

এটা প্রমাণ করে তারা ক্ষমতা থাকতে চাচ্ছে। এটা আমরা হতে দিবো না।

তিনি বলেন, আজকে মানুষ পেটের ক্ষুধার জ্বালায় আত্মহত্যা করছে। বিভিন্ন পরিবারে এ ধরণের ঘটনা ঘটছে।

যেমনটি হয়েছিল ৭৪ সালে আওয়ামী লীগের দু:শাসনামলে বাসন্তী কাপড়ের অভাবে মাছ ধরার জাল দিয়ে লজ্জা নিবারণ করেছিল।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

Related Articles

আমাদের সোসাল মিডিয়া

সর্বশেষ সংবাদ

Translate »