শনিবার, মে ২১, ২০২২

সিইসির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

গণসংহতি আন্দোলনকে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন দেয়ার হাই কোর্টের নির্দেশনা ও রায় থাকা সত্ত্বেও তা পালন না করায় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) বিরুদ্ধে আদালত অবমানার রুল জারি করেছেন হাই কোর্ট।

দলের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি মামুনুর রহমান এবং বিচারপতি খোন্দকার দিলীরুজ্জামানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে জোনায়েদ সাকির পক্ষে আইনজীবী হিসেবে শুনানী করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন সিইসি কে এম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে এ আবেদন করা হয়।

যেহেতু গত ১৪ ফেব্রুয়ারি তারিখে সিইসি হিসেবে কে এম নুরুল হুদার মেয়াদ শেষ হয় এবং নতুন সিইসি ইতিমধ্যে নিয়োগ পেয়েছেন।

তাই আবেদন সংশোধন করে নতুন সিইসিকে বিবাদী করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গণসংহতি আন্দোলন রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন চেয়ে ২০১৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করে।

পরের বছরের ২০১৮ সালের ১৯ জুন নির্বাচন কমিশন এক চিঠির মাধ্যমে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন করা যাবে না মর্মে অবহিত করে।

পরে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি উচ্চ আদালতে রিট মামলা করেন।

উভয়পক্ষের শুনানি শেষে রিট মামলায় উচ্চ আদালত ২০১৯ সালের ১১ এপ্রিল রুল মঞ্জুর করেন এবং রায় ও আদেশের অনুলিপি প্রাপ্তির ৩০ দিনের মধ্যে নিবন্ধন দেওয়ার আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ রায় ও আদেশের সত্যায়িত অনুলিপি যথাসময়ে নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হয় এবং আদালত থেকেও নিয়ম অনুযায়ী রায় ও আদেশের অনুলিপি পাঠানো হয়।

আদালতের সুস্পষ্ট রায় ও নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্বাচন কমিশন কোনো প্রকার পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি যা স্পষ্ট আদালত অবমাননা।

গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে বারবার যোগাযোগ করা ও হাই কোর্টের আদেশ বাস্তবায়নের জন্য তাগিত দেয় হলেও কোনো ফল পাওয়া যায়নি।

একারণে ২০২১ সালের ১০ অক্টোবর আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়–য়ার মাধ্যমে আদালত অবমাননার নোটিশ পাঠানো হয়।

ওই নোটিশ প্রাপ্তির পর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ তারিখে গণসংহতি আন্দোলনের পক্ষে প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার কারণে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা চেয়ে আদালত অবমাননা মামলা (নং ৭৮/২০২২) করেছেন।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

Related Articles

আমাদের সোসাল মিডিয়া

সর্বশেষ সংবাদ

Translate »