Category Archives: বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ

দোয়া মাহফিলে যাদু মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক

ন্যাপ’র সাবেক চেয়ারম্যান জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (১২ মার্চ) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলটির উদ্যোগে এই স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল হয়। ১৯৭৯ সালের ১২ মার্চ মারা যান যাদু মিয়া।

স্মরণসভায় বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ ক্রমান্বয়ে রাজনীতিবিদদের হাত থেকে চলে যাচ্ছে। ফলে দেশে ক্রমান্বয়ে রাজনৈতিক শূন্যতা সৃষ্টি হচ্ছে। এই অবস্থার অবসান ও রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ না হলে দেশ ও গণতন্ত্র ভয়াবহ সঙ্কটে পতিত হতে পারে।

প্রয়াত যাদু মিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তিনি বলেন, জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে বাদ দিয়ে আমাদের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস রচনা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি মুখ্যত মেধাবী ও দূরদর্শী রাজনীতিক হিসেবেই সমধিক পরিচিত। আজীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন গণমানুষের মুক্তির জন্য। প্রতিবাদে-প্রতিরোধে ও সংগ্রামে তিনি কখনো পিছপা হননি।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের কারণে রাজনীতিতে নানা দুর্বৃত্তের জন্ম হচ্ছে। আর দুর্বৃত্তের জন্ম হওয়ার মাধ্যমে প্রমাণিত হচ্ছে -দেশের রাজনীতি আজ দুর্বৃত্ত ও লুটেরাদের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে পরিত্রাণের লক্ষ্যে প্রয়োজন যাদু মিয়াদের মতো মেধাবী রাজনৈতিক নেতৃত্ব।

বাংলাদেশ ন্যাপের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহার সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও অংশগ্রহণ করেন- এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপের যুগ্ম-মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, মহানগর নেতা হাবিবুর রহমান, শফিউদ্দিন খালেক প্রমুখ।

পরে মরহুম যাদু মিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

মশিউর রহমান যাদু মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার

১১ মার্চ, ২০২১ ।। ১৯.০৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’র সাবেক চেয়ারম্যান ও সাবেক সিনিয়র মন্ত্রী জাতীয় নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী শুক্রবার। ১৯৭৯ সালের ১২ মার্চ মারা যান তিনি।

চল্লিশের শেষের দিকে যাদু মিয়া ইয়াং ম্যান অ্যাসোসিয়েশন অব পাকিস্তানের পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান ছিলেন। তিনি পঞ্চাশের দশকের শেষদিকে রংপুর জেলা বোর্ডের কনিষ্ঠতম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

৬০-এর দশকের শেষের দিকে মশিউর রহমান যাদু মিয়া ন্যাপের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং আইয়ুববিরোধী ১১ দফা আন্দোলনে তিনি জাতীয় পরিষদের ভেতরে ও বাইরে সোচ্চার দাবি উপস্থাপন করেন। এছাড়া মওলানা ভাসানীর আহ্বানে জাতীয় পরিষদের সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেন।

১৯৬৯ সালে লায়েলপুরে কৃষক সম্মেলনে ইয়াহিয়া খানকে কটূক্তি করায় যাদু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়। ১৯৭৭ সালে প্রগতিশীল, দেশপ্রেমিক ও জাতীয়তাবাদী শক্তির সমন্বয়ে প্রথমে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট এবং পরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেন।

মওলানা ভাসানীর মৃত্যুর পর ন্যাপের চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন যাদু মিয়া। তিনি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদায় সিনিয়র মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। সে সময় তিনি ন্যাপ’র চেয়ারম্যান হিসাবে দলের প্রতীক ‘ধানের শীষ’ জিয়াউর রহমান তথা বিএনপিকে প্রদান করেন।

বহুমাত্রিক প্রতিভার এই মানুষটি ১৯২৪ সালের ৯ জুলাই তৎকালীন রংপুর জেলা আজকের নীলফামারী জেলার ডিমলার খগাখড়িবাড়ীর সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।

এদিকে যাদু মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে তার অমলিন স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) এক বাণীতে তিনি বলেন, আধিপত্যবাদ ও আগ্রাসনবিরোধী সংগ্রামে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দক্ষিণ হস্ত হিসেবে যাদু মিয়ার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। বিএনপি গঠনে তার অবদানের কথাও স্মরণ করেন মির্জা ফখরুল।

কর্মসূচি : যাদু মিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে একদিনের কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ ন্যাপ। শুক্রবার (১২ মার্চ) দলটির উদ্যোগে ঢাকা, নীলফামারী (ডোমার-ডিমলা), রংপুর, ঠাকুরগাঁও, সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ বিভিন্ন জেলায় মরহুম যাদু মিয়া স্মরণে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকারকেই নিতে হবে : ন্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী লেখক মুশতাক আহমেদের মৃত্যুর দায় সরকার তথা রাষ্ট্রকেই নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর তোপখানায় ভাষা আন্দোলনের চিত্র প্রদর্শনী পরিদর্শন শেষে এ মন্তব্য করেন তিনি।

লেখক মুশতাকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ন্যাপ মহাসচিব বলেন, ‘মুশতাকের মৃত্যুর দায় সরকার তথা রাষ্ট্রকেই গ্রহণ করতে হবে। নিরপেক্ষ তদন্ত করে এই মর্মান্তিক ঘটনার বিচার জরুরি।’

তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার লেখক মুশতাক আহমেদ গত ২৩ ফেব্রুয়ারিও জামিন পাননি। বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বন্দী অবস্থায় মারা গেলেন। এটা কি এক ধরনের হত্যাকাণ্ড নয়?’

গোলাম মোস্তফা ভূঁইয়া বলেন, ‘সরকারের সমালোচনা করে নিজের ফেসবুক টাইমলাইনে কার্টুন শেয়ার করায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারের পর তিনি দুর্বল, বেশ অসুস্থ বলে অনেকবার তার জামিন চাওয়া হয়েছিল। দুঃখজনক, জামিন না হলেও কারাগারেই মারা গেছেন মুশতাক আহমেদ। যে দেশে খুনের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামির জামিন হয়, সে দেশে সরকারের সমালোচনার কারণে একজন লেখকের জামিন হয় না, যা দুঃখজনক।’

তিনি আরও বলেন, ‘মহান ভাষা আন্দোলনের পথ ধরে যে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে সেখানে আজ ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলুণ্ঠিত। এই ভাষার মাসেই একজন লেখকের জেলে মৃত্যু রাষ্ট্রের জন্য কতটা লজ্জাজনক তা কী শাসকগোষ্ঠী অনুভব করছেন? লেখক মুশতাক আহমেদের কারাগারে মৃত্যুই কি ভাষার মাসের শ্রেষ্ঠ উপহার? তার বৃদ্ধ বাবা-মা এবং মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীকে সান্ত্বনা দেবে কে?’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য এনামুজ্জামান চৌধুরী, গণ রাজনৈতিক জোট-গর্জোর সভা প্রধান সৈয়দ মঈনুজ্জামান লিটু, ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা প্রমুখ।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

ভাষা শহীদদের প্রতি ন্যাপ-এনডিপির ফুলেল শ্রদ্ধা

নিজস্ব প্রতিবেদক

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের বেদিতে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাপ, এনডিপি ও গণ রাজনৈতিক জোট-গর্জো।

রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) ভোরে দলসমূহের নেতারা এই শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, এনডিপির মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গর্জো সভাপ্রধান সৈয়দ মঈনুজ্জামান লিটু, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, কেন্দ্রীয় নেতা কৃষক মো. মহসিন ভুইয়া, এনডিপির ভাইস চেয়ারম্যান রাজু আহমেদ প্রমুখ।

শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, ভাষা শহীদদের প্রকৃত সংখ্যা জানার জন্য রাষ্ট্রের কোনো তৎপরতা লক্ষ করা যায় না। যা আমাদের ব্যথিত করে। ৬৯ বছরেও জাতি জানে না- প্রকৃত ভাষা শহীদের সংখ্যা, এর দায় কার?

তিনি আরও বলেন, ভাষা সৈনিকদের আজও মেলেনি রাষ্ট্রীয় কোনো স্বীকৃতি। মুক্তিযুদ্ধের যারা বীজ বপন করলো তাদের নিয়ে এতো উদাসীনতা কেন ?

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগের মহিমা ছড়িয়ে পড়েছে পৃথিবীর সব জাতি-গোষ্ঠীর স্বীকৃতির মধ্যদিয়ে।

এনডিপির মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, ভাষা সৈনিকদের রাষ্ট্রীয় তালিকা প্রণয়ন না করার কারণে সম্প্রতি যে সকল ভাষা সৈনিক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন- তাদের খবরও জানে না রাষ্ট্র ও জনগণ। এর দায় গত ৫০ বছরের শাসকগোষ্ঠী কেউ এড়াতে পারে না।

গর্জো সভাপ্রধান সৈয়দ মঈনুজ্জামান লিটু বলেন, বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরো বেশি প্রচলন ও প্রতিষ্ঠা করার জন্য সরকারকে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।

ভাষা সৈনিকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা না হওয়া দুঃখজনক : ন্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেছেন, বায়ান্ন’র ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতার সোপান রচিত হয়েছে। অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, এত বছর পরও রাষ্ট্র সেই ভাষা আন্দোলনের শহীদ ও সৈনিকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন করতে পারেনি। এটা রাষ্ট্রের ব্যর্থতা, গত ৫০ বছরের শাসকদের ব্যর্থতা। কেউ এই ব্যর্থতার দায় এড়াতে পারেন না।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘ভাষা সৈনিকদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রণয়ন ও রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদানের দাবি’তে বাংলাদেশ ন্যাপের উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচিতে এসব কথা বলেন তিনি।

দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন সাহার সভাপতিত্বে এতে আরও বক্তব্য রাখেন- জাসদের এনামুজ্জামান চৌধুরী, গণ রাজনৈতিক জোটের সৈয়দ মইনুজ্জামান লিটু, জাগপার অধ্যাপক ইকবাল হোসেন, এনডিপির মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের রফিকুল ইসলাম, সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টির আবুল কালাম আজাদ, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টির সামছুল আলম, বাংলাদেশ ন্যাপের মো. কামাল ভুইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুস সাত্তার প্রমুখ।

এনামুজ্জামান চৌধুরী বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মতো ‘ভাষা সৈনিক’দের ‘ভাষা-বীর’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও মর্যাদা দেয়া এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে সারা বছর শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষাসহ ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্যও সরকারের ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

সৈয়দ মইনুজ্জামান লিটু বলেন, ‘ভাষা সৈনিক’দের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির পাশাপাশি রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে তাদের জন্য ভাতা চালু করা এখন সময়ের দাবি।

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বলেন, বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার সূচনা। একুশ আমাদের অহংকার, আমাদের প্রেরণা। এই অহংকারকে বিতর্কিত করার সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধ করতে হবে ঐক্যবদ্ধভাবে।

সভাপতির বক্তব্যে স্বপন সাহা সারা বছর শহীদ মিনারের পবিত্রতা রক্ষাসহ ভাষা আন্দোলনের ঐতিহাসিক স্থানগুলো যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্যও সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস এবং ভাষা শহীদদের অবদানকে তুলে ধরতেই স্বীকৃতি প্রয়োজন।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

গণতন্ত্র শক্তিশালী না হওয়ায় দুর্নীতি বাড়ছে : জেবেল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গাণি বলেছেন, দেশে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী না হবার কারণে দুর্নীতি ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। যা জাতির জন্য লজ্জাজনক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার পরিপন্থি।

তিনি আরও বলেন, গণতান্ত্রিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় প্রয়োজন সকল দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির সমন্বয়ে জাতীয় ঐক্য।

শুক্রবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর গুলশানে দলের চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাপে সদ্য যোগাদানকারী মো. মহসিন ভুইয়ার সাক্ষাৎকালে এসব কথা বলেন জেবেল।

তিনি বলেন, পাটকল-চিনিকল বন্ধ হচ্ছে, পোষাক কল-কারখানায় শ্রমিক ছাঁটাই হচ্ছে। ফলে দেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

জেবেল রহমান বলেন, বাংলাদেশ ন্যাপ দুর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গঠনে রাজনীতি করছে। বাংলাদেশ ন্যাপকে নিজস্ব রাজনীতি নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনের রাজনীতিতে ন্যাপকে সম্ভাবনাময় রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে।

ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, দুর্নীতি ও অযোগ্য দলীয়করণের কারণে দেশে মারাত্মকভাবে বৈষম্য বেড়েছে। কিছু মানুষ হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়েছে আর কিছু মানুষ সামান্য টাকার জন্য সন্তানের চিকিৎসা করাতে পারছে না। শুধু বৈষম্যের বিরুদ্ধে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আজকের বাংলাদেশ। তাই দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে।

এ সময় মো. মহসিন ভুইয়া ছাড়াও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ব্যারিস্টার মশিউর রহমান গাণি উপস্থিত ছিলেন।

দলীয় চেয়ারম্যানের নির্দেশে মো. মহসিন ভুইয়াকে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও কুমিল্লা বিভাগীয় সমন্বয়কারী হিসাবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

ইতিহাস ভুলে যাওয়া জাতির জন্য কল্যাণকর নয় : ন্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

ইতিহাস ভুলে যাওয়া জাতির জন্য কল্যাণকর নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভুইয়া। তিনি বলেছেন, আমরা অনেকেই ইতিহাস ভুলে যাই। ইতিহাস মুছে ফেলে বর্তমানকে নিয়ে মশগুল থাকতে পছন্দ করি, যা জাতির জন্য কল্যাণকর নয়। ইতিহাসে যার যেটুকু ভূমিকা, সেটা স্বীকার না করলে একদিন ইতিহাসই মুখ ফিরিয়ে নেবে। ইতোমধ্যে তা নিতে শুরু করেছে।

মওলানা ভাসানীর ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের ৬৪তম বার্ষিকী উপলক্ষে সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বাংলাদেশ ন্যাপ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন গোলাম মোস্তফা।

তিনি বলেন, মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানী তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে অসংখ্য রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজন করেছিলেন। এর মধ্যে তার অবিস্মরণীয় কীর্তি এবং উপমহাদেশের তথা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান আজকের বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ঘটনা হচ্ছে ১৯৫৭ সালের ‘কাগমারী সম্মেলন’। উপমহাদেশ ও পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে এর তাৎপর্য অনাগত কালের গবেষকদের কাছে স্বীকৃত।

ন্যাপ মহাসচিব বলেন, কাগমারী সম্মেলন থেকেই মওলানা ভাসানী বাংলাদেশের মানুষকে প্রত্যক্ষভাবে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। এই সম্মেলনেই মওলানা ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের ‘আসসালামু আলাইকুম’ জানিয়েছিলেন। একটি নিরীহ ধর্মীয় সম্বোধন মওলানা ভাসানীর ‘আসসালামু আলাইকুম’ শব্দটি স্বাধীনতার সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

তিনি বলেন, ভাবতে অবাক লাগে- এই বাংলাদেশেই ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টাঙ্গাইলের কাগমারীতে মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী লীগের সম্মেলন সামনে রেখে একটি আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছিলেন।

তিনি আরও বলেন, ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলনের মাধ্যমেই তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল। সাম্রাজ্যবাদী-আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ ও সচেতন করতে এই সম্মেলন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন-এনডিপি মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা, গণতান্ত্রিক ঐক্যের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম, জাতীয় স্বাধীনতা পার্টি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান মিজু, সোনার বাংলা পার্টির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ হারুন-অর-রশিদ, সমাজতান্ত্রিক মজদুর পার্টি সাধারণ সম্পাদক ডা. সামছুল আলম, ন্যাপ ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামাল ভুইয়া, ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু প্রমুখ।

দুর্নীতি বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন : ন্যাপ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে দুর্নীতি বন্ধে রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও ঐক্য প্রয়োজন বলে মনে করে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ। দলটির মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া বলেছেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার ছাড়া দুর্নীতি বন্ধ করা প্রায় অসম্ভব।

শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) রাজধানীর নয়াপল্টনে বাংলাদেশ ন্যাপের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক যোগদান অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুইয়ার হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে লেবার পার্টির সাবেক সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মো. মহসিন ভুঁইয়া বাংলাদেশ ন্যাপে যোগদান করেন।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব বলেন, দেশে চলমান নির্বাচনী ব্যবস্থার মাধ্যমেও দেশে দুর্নীতির বিস্তার ঘটছে। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ত্যাগ, সততা ও যোগ্যতার চেয়ে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতাকে মূল্যায়ন করছে। যার ফলে দুর্নীতিবাজরা সকল স্তরে প্রভাব বিস্তার করতে পারেন।

তিনি বলেন, প্রশাসনকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে হবে। রাজনীতিবিদ ও আমলাদের যোগসাজশে যে দুর্নীতি হয়, তা বন্ধ করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। দুর্নীতি বন্ধে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে হবে।

গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেন, দুর্নীতি বন্ধে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। যারা দুর্নীতি করে, তাদের কার্যকরভাবে বিচারের আওতায় আনতে হবে, বিশেষ করে যারা উচ্চ পর্যায়ের দুর্নীতি করে তাদেরকে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতির উচ্চপর্যায়ে দুর্নীতি থাকলে নিচের দুর্নীতি রোধ করা সম্ভব নয়। নির্বাচনে দুর্নীতিবাজ প্রার্থীকে ভোট দেবেন না। এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে হবে, সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

বাংলাদেশ ন্যাপে যোগদান করে মো. মহসিন ভুঁইয়া বলেন, দেশ ও জনগণের কল্যাণে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর প্রদর্শিত পথেই রাজনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আর সেই লক্ষ্যে মেধাবী রাজনীতিক জেবেল রহমান গাণির নেতৃত্বে সমাজে নতুন ধারার রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতেই বাংলাদেশ ন্যাপ-এ যোগদান করেছি। কৃষক-শ্রমিক-মেহনতি মানুষের মুক্তির জন্য দলকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করে যাব।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন-দলের ভাইস চেয়ারম্যান স্বপন কুমার সাহা, যুগ্ম- মহাসচিব এহসানুল হক জসীম, ঢাকা মহানগর সভাপতি মো. শহীদুননবী ডাবলু প্রমুখ।

ভারতকে ন্যাপ’র অভিনন্দন

২৫ জানুয়ারি, ২০২১ ।। ২০.৪৫

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের জনগণকে করোনা মোকাবিলার লক্ষ্যে বিশ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন উপহার দেয়ায় ভারত সরকার ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ।

সোমবার (২৫ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে দলটির চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া ভারত সরকার ও দেশটির সাধারণ জনগণকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

তারা বলেন, করোনা বিপর্যয়কালে ভারত সরকারের ভ্যাকসিন উপহার বাংলাদেশের জনগণ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ রাখবে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার এই ভ্যাকসিন পেয়ে দেশের মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত। সহযোগিতা এবং অংশীদারিত্ব বিশ্বের প্রতিটি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

করোনার এই ভ্যাকসিন উপহারের মধ্য দিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশের পারস্পরিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হলো বলে মন্তব্য করেন নেতৃদ্বয়।

সুভাষ বসু বাঙালির অহংকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন কিংবদন্তি নেতা। যুগে যুগে বাঙালিদের জন্য সর্বত্র তিনি অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবেন, তিনি বাঙালির অহংকার।

শনিবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু’র ১২৪তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ আয়োজিত এক স্মরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব বলেন, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে একটা অন্য ধারার প্রবক্তা সুভাষ চন্দ্র বসু শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন না, কলকাতা পৌরসভার মেয়র থেকে জাতীয় কংগ্রেসের সভাপতি- সব ক্ষেত্রেই তিনি কম বয়সে তার নিজস্ব চিন্তাধারার প্রমাণ রেখেছিলেন।

জাতীয় গণতান্ত্রিক লীগ সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা এম এ জলিলের সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন-বাংলাদেশ সোস্যাল অ্যাকটিভিস্ট ফোরাম (বিএসএএফ) প্রধান সমন্বয়ক মুফতী মাসুম বিল্লাহ নাফিয়ী, ন্যাপ-ভাসানীর সভাপতি মোসতাক আহমেদ, আওয়ামী যুব লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য লোকমান হোসেন চৌধুরী, ঢাকাস্থ বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম-সম্পাদক আ স ম মোস্তফা কামাল, মুক্তিযোদ্ধা পল্লী সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম, হারুন-অর-রশিদ প্রমুখ।