Category Archives: মহিলা দল

মহিলা দল নেত্রী আফরোজা শোভা বহিষ্কার

নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয়তাবাদী মহিলা দল থেকে কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আফরোজা আক্তার শোভাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সংগঠনটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা বহির্ভূত কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আফরোজা আক্তার শোভাকে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়েছে।

এই বহিস্কারাদেশ অনুমোদন করেছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস এবং সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

সুনামগঞ্জে তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মামলার প্রতিবাদ মহিলা দলের

নিজস্ব প্রতিবেদক

সুনামগঞ্জে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অসত্য, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়েরের ন্যাক্কারজনক ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জাতীয়তাবাদী মহিলা দল।

সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান এক বিবৃতিতে বলেন, করোনা ভাইরাসের চলমান দুর্বিষহ অবস্থায় বর্তমান শাসকগোষ্ঠী মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে সচেষ্ট না হয়ে বরং নিজেদের ক্ষমতাকে দীর্ঘ মেয়াদে আঁকড়ে থাকার লক্ষ্যে বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর জুলুমের স্টিমরোলার অব্যাহত রেখেছে।

এরই ধারাবাহিক অংশ হিসেবে গতকাল সুনামগঞ্জে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নানা কায়দায় শায়েস্তা করা যেন ফ্যাসিবাদী সরকারের দৈনন্দিন কর্মসূচিতে পরিণত হয়েছে।

রাষ্ট্রক্ষমতা যাতে হাতছাড়া না হয় সেজন্য বর্তমান শাসকগোষ্ঠী দেশের বিচার ব্যবস্থাকে আয়ত্বে নিয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও সাজানো মামলা দায়ের ও কোন কোন মামলায় সাজা দিয়ে নাজেহাল করতে তাদের মাষ্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করতে হিংস্র হয়ে উঠেছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আওয়ামী অবৈধ সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার চরম শিকার বলেই গতকাল সুনামগঞ্জে তাঁর বিরুদ্ধে বানোয়াট মামলা দায়ের করা হয়েছে।

তারেক রহমানের বিরুদ্ধে এই মামলা বর্তমান সরকারপ্রধানের ইচ্ছারই প্রতিফলন।

এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে আরও একটি নজীরবিহীন ঘটনা হয়ে থাকবে।

আমরা এই রায় প্রত্যাখান করে রায়ের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে এই মামলা প্রত্যাহারের জোর দাবি করছি।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

বর্তমানে কোথাও কারো কোনো নিরাপত্তা নেই: রিজভী

০৮ মার্চ ২০২১।। ১৪.১৫

বিশেষ প্রতিবেদক

বর্তমানে কোথাও কারো কোনো নিরাপত্তা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

তিনি বলেন, আমাদের সন্তানের নিরাপত্তার জন্য, সবার জন্য এ সরকারের পতন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

সোমবার (০৮ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে রিজভী এই মন্তব্য করেন।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এই র‌্যালী করে। কাকরাইল নাইটেঙ্গল রেস্তোরা হয়ে বিএনপি কার্যালয়ে এসে শোভাযাত্রাটি শেষ হয়।

আরো পড়ুন: এক লাখ লোক বের হলে সরকারের খবর হবে: মান্না

মহিলা দলের নেতা-কর্মীরা ‘নারী নির্যাতন বন্ধ কর’, ‘বিনামূল্যে বেতনে পড়ালেখার সুযোগ নারীদের জন্য খালেদা জিয়ার উদ্যোগ’সহ বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে এই র‌্যালীতে অংশ নেন।

নারীর নিরাপত্তা রিজভী বলেন, আজকে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে তনু, মিতু, রাফিদের মতো অগণিত নারীর আর্তনাদ ভেসে আসছে।

খবরের কাগজের পাতা খুলে শুধু নারী নির্যাতনের খবর ছাড়া আপনারা কিছুই দেখবেন না। জাতি হিসেবে আজ আরো সোচ্চার হয়ে রাস্তায় নামতে হবে।

কোথাও কারও কোনো নিরাপত্তা নেই। আপনার-আমার সন্তানেরও নিরাপত্তা নেই। সন্তানের নিরাপত্তার জন্য এ সরকারের পতন ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।

তিনি বলেন, আইয়ুব খান উন্নয়নের দশক করেছিল, স্বৈরাচারী শাসকের উন্নয়নের দশক। আর শেখ হাসিনার উন্নয়নের একযুগ আমরা দেখলাম। সেই উন্নয়ন হচ্ছে নারী নির্যাতনের উন্নয়ন।

বর্তমান সময়ে আমরা সরকারের লোকজনের কাছ থেকে অনেক কথা শুনি। উন্নয়নের চাকচিক্যের কথা শুনি।

কিন্তু উন্নয়নের চাকচিক্যের আড়ালে কত নারীর বোবা কণ্ঠ, কখন নারী-শিশুর গোঙানির শব্দ এই আমলে হয়েছে তার হিসাব নেই।

কার কথা বলব! মিতুর কথা বলবো না তনুর কথা বলব, না খাদিজার কথা বলব! এগুলো বলে শেষ করা যাবে না।

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রসঙ্গ

প্রধান বিচারপতির বক্তব্য প্রসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, পত্রিকার খবরটি আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আাইনের একটি মামলার শুনানিতে বলেছেন, অনেক কথা বলেছেন।

প্রধান বিচারপতি আদালতের পাঠ্যক্রমের মধ্যে এটা উনি বলতেই পারেন এবং তিনি যে পরামর্শ যেটা দিয়েছেন সেটা শিরোধার্য।

কিন্তু এটি যখন গণমাধ্যমে আসে, তখন যদি কিছু পাবলিক ডিবেট তৈরি হয়। এটা তো অবশ্যই তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেছেন, সামাজিক গণমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া ঠিক নয়। আপনার এই পরামর্শ সঠিক।

আমি এটা অস্বীকার করছি না। আবার বলছেন যে, অন্যান্য দেশেও ব্যাঙ্গচিত্র হয় কিন্তু বাংলাদেশেও ব্যাঙ্গ চিত্র ভিন্নরকম।

তিনি বলেন, আমি একটা প্রশ্ন রাখতে চাই মাননীয় প্রধান বিচারপতি। যখন কোনো নাগরিকের কথা বলা, কোনো নাগরিকের মুক্ত কন্ঠে আওয়াজ তোলা, কোনো নাগরিকের কোন চিত্রাঙ্কন সে যদি করে, ব্যাঙ্গচিত্র করে, তাকে যদি সরকারি হেফাজতে খুন করা হয় তাহলে সেটাতে কি দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পায় কিনা- এটা তো জনগণ জানতেই পারে।

আপনি প্রধান বিচারপতি। আপনি যে অভিমতগুলো দিয়েছেন সেটা অবশ্যই শিরোধার্য। এই যে কথা বলেছেন যে, দেশের ইমেজ ক্ষুন্ন হয় ব্যাঙ্গচিত্র করলে।

কিন্তু মানুষ খুন করলে, এই কথা বলার জন্য, এই কার্টুন আঁকার জন্য তাদেরকে যদি সরকারি হেফাজতে খুন করা হয় তাতে কী দেশের ইমেজ বাড়ে।

পুলিশ বাহিনীকে ‘দলীয়করণ’ এবং পুলিশ প্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী।

সভাপতির বক্তব্যে মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, আজকে এই সরকারের আমলে আমরা নারীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আমাদেরকে অবশ্যই জেগে উঠতে হবে।

গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানে গণতন্ত্র, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানে বাংলাদেশ।

আসুন গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে আমাদেরকে আবার আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে। এই আন্তজাতিক নারী দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক- আসুন আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করি।

মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় র‌্যালীপূর্ব সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম, মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরী আরা সাফা, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, কেন্দ্রীয় নেত্রী নেওয়াজ হালিমা আরলি, নিলোফার চৌধুরী মনি ও জাহান পান্না বক্তব্য রাখেন।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

নারীরা এখনো নিরাপদে চলতে পারে না: মির্জা ফখরুল

০৮ মার্চ ২০২১।। ১৪.১৫

বিশেষ প্রতিবেদক

পুরুষতান্ত্রিক সমাজ থেকে নারীদের বেরিয়ে এসে নেতৃত্ব দিতে হবে মন্তব্য করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।সোমবার সকালে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের শোভাযাত্রা পূর্ব সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, আজকে দুর্ভাগ্য এই জাতির পঞ্চাশ বছর পরেও আমরা একথা বলতে পারি না যে, আমরা স্বাধীন। আমাদের মা-বোনেরা তারা নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে না।

তারাও বলতে পারে না যে, তারা স্বাধীন। এই সরকার সকলের স্বাধীনতাকে হরণ করে নিয়েছে, বাক স্বাধীনতা হরণ করেছে, তাদের মৌলিক স্বাধীনতা-গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছে।

তখনই নারীদের অধিকার সংরক্ষন করা যাবে যখন সত্যিকার অর্থেই বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা হবে।আজকে এই দিনে আমি নারীদের আন্দোলনে একাত্মতা ঘোষণা করছি এবং এই কথা বলতে চাই, সকলকে যে, পুরুষতান্ত্রিক সমাজ থেকে বেরিয়ে এসে অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আলোতে আসতে হবে সবাইকে এবং আপনাদেরকে নেতৃত্ব দিতে হবে।

ফখরুল বলেন, আমি বিশ্বাস করি, আজকে পুরুষ-নারী সবাই যদি আমরা সমবেতভাবে উদ্যোগ নিয়ে এই ভয়াবহ দানবকে সরানোর জন্য কাজ করি তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের দেশকে মুক্ত করতে পারবো, আমাদের নারীদের মুক্ত করতে পারবো।

আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের কাছে সত্যিকার অর্থে একটা আলোকিত বাংলাদেশ আমরা উপস্থাপন করতে পারবো।

আরো পড়ুন: নির্বাচিত সরকার ছাড়া সঙ্কটের সমাধান হবে না: ফখরুল

বাংলাদেশে নারী আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়াকে স্মরণ করে তিনি বলেন, বেগম রোকেয়া এই উপমহাদেশে বিশেষ করে বাংলাদেশে নারীদের উন্নয়নের জন্য, তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোতে নিয়ে আসার জন্য তিনি প্রতিকৃতের ভুমিকা পালন করে্ছিলেন। তিনি সেই আলো জ্বালিয়েছিলেন নারীদের মধ্যে যাতে করে তারা নারীরা বেরিয়ে আসেন এবং তাদের অধিকারকে আদায় করে নিতে পারেন।

এরপরে যে নারী নেত্রীকে, যে রাজনীতিবিদকে সবচেয়ে বেশি শ্রদ্ধা আমি জানাতে চাই, তিনি হচ্ছেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া।

যিনি এই দে্শে মহিলাদের উন্নয়নের জন্য সবচেয়ে বড় কাজটি করেছিলেন যে, মেয়েদের লেখাপড়ার সুযো্গ-সুবিধা করে দেয়ার জন্য বিনা বেতন তিনি গ্রেজুয়েশন পর্যন্ত পড়ার ব্যবস্থা করেছিলেন। এটা একটা যুগান্তকারী পদক্ষেপ ছিলো দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার।

আপনাদের অনেকের মনে থাকার কথা আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিনিই প্রথম দেশে মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় এবং মহিলা অধিদফতর তৈরি করেছিলেন।

তখনও পৃথিবী অন্যান্য দেশগুলোতে করা হয়নি, তারা অনেক দিন পরে মহিলাদের জন্য আলাদা কনভেনশন হয়েছিলো সেখানে মহিলাদের একটা স্বীকৃতি দেয়া হয়েছিলো।

সুতরাং যা কিছু কল্যাণকর যেমনটা অর্ধেক নারী, অর্ধেক নর। ঠিক একইভাবে নারীদের কল্যানের জন্য যা কিছু করেছে এই বিএনপির নেতৃত্ব থেকেই সেটা করা হয়েছে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করে বলেন, আজকে শুধু নারীরা নয়, বাংলাদে্শের সমগ্র মানুষ তারা নির্যাতিত, তারা বন্দি, তারা অধিকার থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

আজকে দেখুন স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তী পালিত হচ্ছে, এই স্বাধীনতার সূবর্ণ জয়ন্তীতে আমাদের যারা অধিকারের জন্য আন্দোলন করছে, আমাদের ছাত্র নেতা, আমাদের লেখক, সাংবাদিক, শ্রমিক তাদের ওপর নির্মম নির্যাতন চলছে।

নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল এই র‌্যালী করে।

মহিলা দলের নেতা-কর্মীরা ‘নারী নির্যাতন বন্ধ কর’, ‘বিনামূল্যে বেতনে পড়ালেখার সুযোগ নারীদের জন্য খালেদা জিয়ার উদ্যোগ’সহ বিভিন্ন শ্লোগান সম্বলিত প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে এই র‌্যালীতে অংশ নেন।

কাকরাইল নাইটেঙ্গল রেস্তোরা হয়ে বিএনপি কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।

‘প্রধান বিচারপতির বক্তব্য সঠিক কিন্তু প্রশ্ন’ 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, পত্রিকার খবরটি আমার কাছে বিস্ময়কর মনে হয়েছে।

মাননীয় প্রধান বিচারপতি ডিজিটাল নিরাপত্তা আাইনের একটি মামলার শুনানীতে তিনি বলেছেন, অনেক কথা বলেছেন।

প্রধান বিচারপতি আদালতের পাঠ্যক্রমের মধ্যে এটা উনি বলতেই পারেন এবং তিনি যে পরামর্শ যেটা দিয়েছেন সেটা শিরোধার্য্।

কিন্তু এটি যখন গণমাধ্যমে আসে, তখন যদি কিছু পাবলিক ডিভেট তৈরি হয়। এটা তো অবশ্যই তৈরি হতে পারে।

তিনি বলেছেন, সামাজিক গণমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া ঠিক নয়। আপনার এই পরামর্শ সঠিক। আমি এটা অস্বীকার করছি না। আবার বলছেন যে, অন্যান্য দেশেও ব্যাঙ্গচিত্র হয় কিন্তু বাংলাদেশেও ব্যাঙ্গ চিত্র ভিন্নরকম।

তিনি বলেন, আমি একটা প্রশ্ন রাখতে চাই মাননীয় প্রধান বিচারপতি। যখন কোনো নাগরিকের কথা বলা, কোনো নাগরিকের মুক্ত কন্ঠে আওয়াজ তোলা, কোনো নাগরিকের কোন চিত্রাঙ্কন সে যদি করে, ব্যাঙ্গচিত্র করে, তাকে যদি সরকারি হেফাজতে খুন করা হয় তাহলে সেটাতে কি দেশের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি পায় কিনা- এটা তো জনগন জানতেই পারে।

আপনি প্রধান বিচারপতি। আপনি যে অভিমতগুলো দিয়েছেন সেটা অবশ্যই শিরোধার্য্। এই যে কথা বলেছেন যে, দেশের ইমেজ ক্ষুন্ন হয় ব্যাঙ্গচিত্র করলে।

কিন্তু মানুষ খুন করলে, এই কথা বলার জন্য, এই কার্টুন আঁকার জন্য তাদেরকে যদি সরকারি হেফাজতে খুন করা হয় তাতে কী দেশের ইমেজ বাড়ে।

পুলিশ বাহিনীকে ‘দলীয়করণ’ এবং পুলিশ প্রধানের সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমালোচনা করেন রিজভী।

সভাপতির বক্তব্যে মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাস বলেন, আজকে এই সরকারের আমলে আমরা নারীরা সবচেয়ে বেশি অবহেলিত, বঞ্চিত ও নির্যাতিত। এই অবস্থা থেকে উত্তরণে আমাদেরকে অবশ্যই জেগে উঠতে হবে।

গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে আনতে হবে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানে গণতন্ত্র, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া মানে বাংলাদেশ।

আসুন গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে আমাদেরকে আবার আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করতে হবে। এই আন্তজাতিক নারী দিবসে আমাদের অঙ্গীকার হোক- আসুন আরেকটা মুক্তিযুদ্ধ করি।

যে যুদ্ধের মাধ্যমে নারীরা অগ্রনী ভুমিকা পালন করবে, দেশনেত্রীকে মুক্ত করবে। দেশনেত্রী মুক্ত হলে গণতন্ত্র মুক্ত হবে।

মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের পরিচালনায় র‌্যালীপূর্ব সমাবেশে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, মহিলা দলের সাবেক সভাপতি নুরে আরা সাফা, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান, কেন্দ্রীয় নেত্রী নেওয়াজ হালিমা আরলি, নিলোফার চৌধুরী মনি ও জাহান পান্না বক্তব্য রাখেন।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন সীমাহীন পর্যায়ে: মহিলা দল

নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান সরকারের সময়ে নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন সীমাহীন পর্যায়ে পৌছেছে বলে জানিয়েছে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল।
সংগঠনটির নেতৃবৃন্দ বলেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারের আমলে দেশের সর্বত্র নৈরাজ্যকর অবস্থা এতটাই ব্যাপক আকার ধারণ করেছে যে, মানুষের জানমালের কোন নিরাপত্তা নেই। নারী ও শিশুদের ওপর নির্যাতন এখন সীমাহীন পর্যায়ে। নারীদের সম্ভ্রমহানি এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সোমবার (২৫ জানুয়ারি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে মিথ্যা ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তাহমিনা আফরিন নিতাকে গত ২২ জানুয়ারি সকালে গ্রেফতারের মাধ্যমে কারান্তরীণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি আফরোজা আব্বাস, সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ এবং সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলেন জেরিন খান।
বিবৃতিতে আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহমেদ এবং হেলেন জেরিন খান বলেন, নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে বর্তমান জনবিচ্ছিন্ন সরকার। নারী ও শিশুদের ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় দেশবাসী গভীরভাবে শঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন।
জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই বর্তমান সরকার দেশ ও দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করছে না। বরং বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের, তাদেরকে গ্রেফতার, কারান্তরীণ এবং সন্ত্রাসের মাধ্যমে কিভাবে জনগণকে আতঙ্কিত রেখে রাষ্ট্রক্ষমতা দীর্ঘায়িত করা যায় সেটিই এখন বর্তমান অবৈধ শাসকগোষ্ঠীর লক্ষ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বর্তমান প্রতিহিংসাপরায়ণ সরকার দেশের সকল বিরোধী দল ও মতকে নিষ্ঠুরভাবে দমনের জন্য বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতারে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের নেতাকর্মীরাও সরকারের এই অমানবিক ও ন্যাক্কারজনক আচরণের শিকার।
মিথ্যা ও বানোয়াট মামলায় জাতীয়তাবাদী মহিলা দল-ঢাকা মহানগর উত্তর আদাবর থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক তাহমিনা আফরিন নিতাকে গ্রেফতারের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর ঘটনা বর্তমান আওয়ামী সরকারের ধারাবাহিক দুস্কর্মেরই অংশ।
তারা অবিলম্বে তাহমিনা আফরিন নিতা’র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অসত্য মামলা প্রত্যাহার ও নি:শর্ত মুক্তির জোর দাবি জানান।
আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

দেশে একাত্তরের ৯ মাসের মতো পরিবেশ বিরাজ করছে: রিজভী

২৭ ডিসেম্বর ২০২০।। ১৩.৩০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশের নির্বাচন নিয়ে চলছে সার্কাস। কোথাও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নেই।

রোববার (২৭ ডিসেম্বর) দুপুরে নয়া পল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় মহিলা দলের আফরোজা আব্বাস, সুলতানা আহম্মেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের যেসব স্থানে পৌরসভার নির্বাচন হচ্ছে সর্বত্রই বিএনপির প্রার্থী বা তাদের লোকজনকে বাধা দিয়ে হামলা চালায় আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা। আসলে যারা বর্বর তারাই এসব করতে পারে।

টাঙ্গাইলের গোপালপুরে মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থীকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যা চেষ্টা করেছে এবং এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি শনিবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

জনগণের কাছে জনপ্রিয়তা থাকলে সুষ্ঠু নির্বাচনে ভয় কেনো? উন্নয়ন দিয়ে জনপ্রিয়তা মেলেনা। নিরাপত্তা দিয়ে জনপ্রিয়তা অর্জন করা যায়।

রিজভী বলেন, পৌর নির্বাচনকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সভানেত্রী ও সাবেক ৪-৫-৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর হাবিজা বেগমকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা কয়েকদিন আগে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করে।

গতরাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজিউন।

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের দ্বারা সংঘটিত এই বর্বরোচিত ঘটনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র পক্ষ থেকে আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।

এ দেশ থেকে সুষ্ঠু নির্বাচন নামক শব্দটি চিরতরে উচ্ছেদের পর কোনোভাবেই কেউ যেন এ বিষয়ে টু শব্দ করতে না পারে সেজন্য দেশব্যাপী বিভিন্ন জনপদে সশস্ত্র আওয়ামী ক্যাডারদের মোতায়েন করেছে বর্তমান সরকার।

বিরোধী দলের যে কেউ নির্বাচনে প্রার্থী হলেই বা তার পক্ষে কেউ প্রচারণা চালাতে গেলে তাকে জীবন হারাতে হয় কিংবা চিরদিনের জন্য পঙ্গুত্ববরণ করতে হয়।

তিনি বলেন, বিনাভোটে ক্ষমতায় থেকে আওয়ামী সরকার এখন বেপরোয়া। ওরা নির্বাচন ঘোষনা করবে কিন্তু অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হতে দিবে না।

বিরোধী দলের কেউ যদি সাহস করে নির্বাচনে নামে তাহলে তার ওপর নেমে আসে নির্মম নির্যাতনের খড়গ।

নিশিরাতের ভোটের সরকার ও বেহায়া নির্বাচন কমিশনের যৌথ প্রযোজনায় এখন চলছে নির্বাচনী সার্কাস।

আগের রাতে ভোট হলেও, ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে না গেলেও, অথবা কোনো কেন্দ্রে শতভাগের বেশী জোরপূর্বক ভোট কাস্টিং করলেও সরকার ও কমিশনের বয়ান একই যে, ভোট সুষ্ঠু হয়েছে।

তারা এই বয়ানটি পূর্বেই টাইপ করে রাখে। বাংলাদেশসহ সারাবিশ্ব জানে যে, বাংলাদেশে ৩০ ডিসেম্বরের ভোট আগের রাতেই হয়েছে।

গণমাধ্যমসহ সকল মাধ্যমে তা প্রকাশিত হলেও সরকারের ভাঁড় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এখনও নির্লজ্জ মিথ্যাচার করছে।

রিজভী বলেন, এই ইসির অধীনে একটি নির্বাচনও সুষ্ঠু হয়নি। সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করে ইসির অপকর্মের শাস্তির যে দাবি নাগরিক সমাজ করেছে তা এড়ানোর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ আওয়ামী নেতারা গায়ের জোরে সত্যকে চাপা দিতে চাচ্ছে।

গণতন্ত্র ধ্বংসে নব্য বাকশালী সরকার ও তাদের মোসাহেব নির্বাচন কমিশনের অপকর্ম শয়তানকেও টপকে গেছে। এই অপকর্মের বিচার একদিন হবেই।

নাৎসীবাদী আওয়ামী সরকারের নিষ্ঠাবান খাদেম নির্বাচন কমিশনের কারণেই দেশের বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে রক্ত ঝরছে।

শুধু পুরুষরাই নয়, এখন নারীদেরও জীবন কেড়ে নিচ্ছে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা। সর্বশেষ শিকার হলেন টাঙ্গাইলের গোপালপুর পৌর মহিলা দলের সভানেত্রী ও মহিলা কমিশনার হাবিজা বেগম।

তাকে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা হত্যার উদ্দেশ্যেই মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে গুরুতর আহত করে, মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়তে লড়তে গত পরশু রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।

এটি আওয়ামী সন্ত্রাসীদের একটি কাপুরুষোচিত হত্যাকান্ড। এই মনুষ্যত্বহীন ও পৈশাচিক হত্যাকান্ডের প্রতিবাদ জানানোর ভাষা আমার জানা নেই।

তিনি বলেন, সারাদেশে এখন দুস্কৃতিকারিরাই আওয়ামী লীগ করে। তাই জনগণ এদের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে; পেশাদার ঘাতক, লুন্ঠনকারী, নিপীড়ণকারী ও অন্যের সম্পদ হরণকারীদের দ্বারাই এখন আওয়ামী লীগ চলছে।

সুতরাং বাংলাদেশে ‘৭১ এর ৯ মাসে যে পরিবেশ বিরাজ করছিল, এখন বাংলাদেশে সেই পরিবেশই বিরাজ করছে।

আমি হাবিজা বেগমকে হত্যাকারী সন্ত্রাসীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবী করছি।

তার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। হাবিজা বেগম এর শোকাহত পরিবার-পরিজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছি।

রিজভী জানান, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি হাসান মোঃ জসিম উদ্দিনকে গতরাতে বাসা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আমি তাকে গ্রেফতারের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং অবিলম্বে তার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি করছি।

ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

আমাদের টুইটার প্রোফাইল ফলো করুন: https://twitter.com/BdPolitical

 

নারী সমাজকে প্রেরণা জোগায় বেগম রোকেয়া: বিএনপি

০৯ ডিসেম্বর ২০২০।। ০৮.০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পৃথক বাণী দিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

নেতৃদ্বয় বাণীতে বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং রুহের মাগফিরাত কামনা করছি।

বিএনপির বাণীতে বলা হয়, কঠোর রক্ষণশীল পারিবারিক পরিবেশে বেড়ে ওঠা বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ছিলেন এদেশের নারী জাগরণের অগ্রদূত।

তিনি তার নিজ জীবনের বাস্তবতার মধ্যে উপলব্ধি করেছিলেন সমাজে নারীর পশ্চাদপদ অবস্থান। উপলব্ধি করেছিলেন শিক্ষাই নারীর আত্মমর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রধান অবলম্বন।

তার জীবন-সংগ্রামের লক্ষ্যই ছিল নারী শিক্ষার বিস্তারের মধ্য দিয়ে নারীমুক্তি।

বিশেষভাবে পিছিয়ে পড়া এদেশের মুসলিম নারী সমাজকে শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য তিনি সর্বপ্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।

আর নারীমুক্তির বাণী বহন করতে গিয়ে তাকে সমাজের গোঁড়া রক্ষণশীলদের প্রচন্ড আক্রমনের মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

তা সত্ত্বেও তিনি ছিলেন কর্তব্যকর্মে অদম্য ও অবিচল। বেগম রোকেয়া তার ক্ষুরধার লেখনির মাধ্যমে নারীর প্রতি সমাজের অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণের মূলে আঘাত হেনে ছিলেন।

আরো পড়ুন: গণতন্ত্রশূন্যতার দুঃসময়ে কবি নজরুল প্রেরণা যোগায়: রিজভী

বাণীতে বলা হয়- সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশের উন্নয়নে নারীদের অংশীদারিত্ব নিশ্চিত করেছিলেন।

বেগম রোকেয়ার জীবনাদর্শ ও প্রদর্শিত পথ ধরেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া নারীদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করতে কাজ করে গেছেন।

বেগম রোকেয়ার কর্মময় জীবন ও আদর্শ দেশের নারী সমাজকে আরো উদ্যমী ও অনুপ্রাণিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।

কেননা বেগম রোকেয়া এদেশের নারী জাগরণের এক কিংবদন্তিতুল্য পথিকৃত। তিনি নারী সমাজে শিক্ষার আলো পৌঁছে দিতে যে ভূমিকা পালন করেছেন তা বৈপ্লবিক।

তিনি দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গিতে উপলব্ধি করেছিলেন যে, নারীর ভাগ্যোন্নয়নে শিক্ষা ও স্বাবলম্বিতা গুরুত্বপূর্ণ।

সংসার, সমাজ ও অর্থনীতি জীবনের এই তিনটি ক্ষেত্রে নারীকে স্বায়ত্ত্বশাসিত ও আত্মমর্যাদাশীল হতে তিনি গভীরভাবে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন।

এজন্য তিনি বিশ্বাস করতেন নারীকে উপযুক্ত শিক্ষায় শিক্ষিত হতে হবে। নারী সমাজকে স্বাবলম্বী করতে তিনি সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলে ছিলেন, শত বাধা-বিপত্তি সত্বেও।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তম নারীদেরকে চার দেয়ালের ভেতর থেকে বের করে এনে জাতীয় অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করেছিলেন।

বেগম রোকেয়ার জীবন ও তার আদর্শ বাস্তবায়নেই এদেশের নারী সমাজকে আলোকিত ও আত্মনির্ভরশীল করতে প্রেরণা যোগাবে।

দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেগম রোকেয়ার প্রদর্শিত পথ ধরেই নারী শিক্ষা, ক্ষমতায়ন এবং কর্মসংস্থানে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে নারী জাগরণ সৃষ্টি করেছিলেন।

বেগম রোকেয়ার পথই আজকের নারী সমাজকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা জোগাবে।

আজকে এই দিনে আমি মহিয়সী নারী বেগম রোকেয়ার আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে নারী সমাজকে দেশ ও জাতির কল্যাণে আত্মনিবেদিত হওয়ার জন্য সকল নারীর প্রতি আহবান জানাই।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় দফতরের চলতি দায়িত্বে নিয়োজিত সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

করোনায় আক্রান্ত বিএনপির বহু নেতাকর্মী

০৪ ডিসেম্বর ২০২০।। ০৮.০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির সিনিয়র নেতা থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্তরের বহু নেতাকর্মী। অসুস্থ নেতারা ও তাদের পরিবার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর দোয়া চেয়েছেন।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ।

আরো পড়ুন: ভেন্টিলেশনে বিএনপি নেতা কামাল ইবনে ইউসুফ

এদের মধ্যে চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ এপোলো হাসপাতালের ভেন্টিলেশনে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে।

নজরুল ইসলাম খানকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছিল।

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির বরিশাল বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন, মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হেলেন জেরিন খান।

তারা উভয়েই চিকিৎসকের পরামর্শে বাসায় থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আরো আক্রান্ত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ সম্পাদক সাংবাদিক নেতা কাদের গণি চৌধুরী।

তার শ্বাসকষ্ট সহ অন্য সমস্যা দেখা দিলে তাকে রাজধানীর গ্যাস্ট্রেলিভার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে আইসিউতে স্থানান্তর করা হয়।

তবে গত বুধবার তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে হাসপাতালে থেকেই চিকিৎসা নিচ্ছেন কাদের গণি চৌধুরী।

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বজলুল বাসিত আঞ্জু। তিনিও বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

গত বৃহস্পতিবার থেকে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর স্ত্রী আরজুমান আরা আইভীও করোনায় আক্রান্ত হয়ে বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন।

আরো পড়ুন:  করোনায় আক্রান্ত বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খান

এছাড়া সম্প্রতি সপরিবারে করোনায় আক্রান্ত হয়ে সেরে উঠেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, তার স্ত্রী ও মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস,

ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহাজাহান, বরকত উল্লাহ বুল, যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল,

সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ,

ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাক, নেত্রকোণা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: আনোয়রুল হক,

যুবদল সেক্রেটারি সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সেক্রেটারি আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল সহ বেশ কয়েকজন নেতা।

এরবাইরেও ছাত্রদল, যুবদল সহ বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বহু নেতাকর্মী করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। অনেকেই ইতিমধ্যে সুস্থ হয়েছেন।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

তারেক রহমানের ৫৬ তম জন্মদিন আজ

২০ নভেম্বর ২০২০।। ০০.০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

আজ ২০ নভেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৫তম জন্মদিন। ১৯৬৫ সালের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান। যার ডাক নাম পিনো।

১/১১’র সরকারের আমলে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা এবং নির্মম নির্যাতনের শিকার হয়ে লন্ডনে যান তিনি।

চিকিৎসার সুবিধার্থে তারেক ২০০৮ সাল থেকে সপরিবারে লন্ডনে বাস করছেন তিনি। তার সাথে আছেন সহধর্মিণী ডা: জোবায়দা রহমান ও একমাত্র কন্যা জাইমা রহমান।

জন্মদিনে তারেক রহমান দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও দেশবাসীর কাছে দোয়া কামনা করেছেন।

আরো পড়ুন:তারেক রহমানের জন্মদিন:বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ ছাত্রদলের ভিন্ন রকম কর্মসূচি

তারেক রহমান মাত্র ১৫ বছর বয়সে পিতৃহারা হন। ঢাকা রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ থেকে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পার হন।

জানা গেছে, ১৯৮৫-৮৬ শিক্ষাবর্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এলএলবিতে পরে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের প্রথম বর্ষে ভর্তি হন এবং স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মাস্টার্সে ভর্তি হন তারেক রহমান।

পিতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাতে গড়া বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের বগুড়া জেলা কমিটির সদস্য হিসেবে তার রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু।

যিনি ১৯৮৮ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে বগুড়া জেলার গাবতলী থানা বিএনপির সদস্য হন।

আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনে যোগ দেয়ার আগেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন তিনি।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি তার মা খালেদা জিয়ার সঙ্গী হিসেবে সারা দেশের নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন।

২০০১ সালের নির্বাচনেও মায়ের পাশাপাশি জনাব রহমান দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণা চালান।

মূলত এ নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের মাধ্যমে রাজনীতির প্রথম সারিতে তার সক্রিয় আগমন ঘটে।

আরো পড়ুন:তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মসূচি

২০০৯ সালের ৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বিএনপির পঞ্চম জাতীয় কাউন্সিলে এবং ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ ষষ্ঠ কাউন্সিলে তারেক রহমান দলের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে যাওয়ার পর থেকে তিনি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

এদিকে জন্মদিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তারেক রহমানকে দল ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানান।

পাশাপাশি তার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কমনা করেন। দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করছে বিএনপি।

এছাড়া জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন, ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও অন্যান্য সংগঠনের পক্ষেও কর্মসূচীর আয়োজন করা হয়েছে।

আমাদের ফেসবুক পেজ লাইক করুন: https://www.facebook.com/Polnewsbd/

ঢাকায় বিএনপির ১২০ নেতাকর্মীর আগাম জামিন

১৮ নভেম্বর ২০২০।। ১৪.০০

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বাস পোড়ানোর অভিযোগ করা ১৫ মামলায় বিএনপির ১২০ নেতাকর্মীকে আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তাদের আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এসময়ের মধ্যে তাদের ঢাকার সিএমএম কোর্টে জামিননামা (বেল বন্ড) দাখিল করে আত্মসমর্পণ করতে বলা হয়েছে।
বুধবার (১৮ নভেম্বর) বিচারপতি মো. হাবিবুল গণি ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন দেন।
বিএনপি নেতাদের আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুবদলের সভাপতি সাইফুল আলম নীরব,
সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-১৮ আসনে উপ-নির্বাচনে বিএনপি দলীয় প্রার্থী এসএম জাহাঙ্গীর হোসেন,
ঢাকা দক্ষিণের সাবেক মেয়র প্রার্থী প্রকৌশলী ইশরাক হোসেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আবদুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েল,
ছাত্রদল সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনসহ ১২০ জন নেতাকর্মীকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আগাম জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
এরমধ্যে তাদের নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে হবে।
তিনি জানান, ওইদিনের ঘটনায় ৯ থানায় অন্তত ১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুলিশের তথ্য মতে, গত বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫ মিনিটে পল্টন থানার বিএনপি পার্টি অফিসের উত্তর পাশে পার্ক করা সরকারি গাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
এরপর দুপুর ১টার দিকে মতিঝিল থানার মধুমিতা সিনেমা হলের সামনে অগ্রণী ব্যাংকের স্টাফ বাসে, ১টা ২৫ মিনিটে রমনা হোটেলের সামনে চলতি ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনে,
শাহবাগের আজিজ সুপার মার্কেটের সামনে দেড়টার দিকে দেওয়ান পরিবহনে, ২টা ১০ মিনিটে সচিবালয়ের উত্তর পাশে রজনীগন্ধা পরিবহন ও
বংশাল থানার নয়া বাজার এলাকায় ২টা ২৫ মিনিটে দিশারী পরিবহনে আগুন দেওয়া হয়।
এছাড়া দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে পল্টন থানার পার্কলিং-এ জৈনপুরী পরিবহন, বিকেল ৩টায় মতিঝিল থানার পূবালী পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন দোতলা বিআরটিসি বাসে,
ভাটারা থানার কোকাকোলা মোড়ে ভিক্টর ক্লাসিক পরিবহনে ও রাতে উত্তরার আজমপুরে আগুন দেওয়া হয়।
এসব ঘটনায় রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা হয় বলে আইনজীবীরা জানান।
এসব মামলায় আজ হাইকোর্টে হাজির হয়ে বিএনপি নেতাকর্মীরা জামিন আবেদন করলে, আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।